গ্রামীণফোনের বকেয়া বিটিআরসির হাতে নেই : চেয়ারম্যান
গ্রামীণফোনের বকেয়া পাওনার অংক কমানোর বিষয়টি বিটিআরসি হাতে নেই বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান জহুরুল হক। তিনি বলেছেন, “বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারাধীন। আদালত যা বলবে আমরা প্রতিপালন করবো। ২৪ তারিখের পর আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো। প্রয়োজনে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।”
সোমবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে বিটিআরসি’র সহায়তা চাইলে এমন মন্তব্য করেন বিটিআরসি চেয়ারম্যান।
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে গ্রামীণফোনের সিইও প্রথম বাংলাদেশী সিইও ইয়াসির আজমান-কে স্বাগত জানিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ”বাংলাভাষাভাষী মানুষ, বাংলাদেশের মানুষ সিইও হয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য সুখবর। তবে উনি যে কথাটা বলেছেন তা অনুযায়ী বিটিআরসি ৫৭৫ কোটি টাকা নিতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না আপিল বিভাগ আদেশ না দেয়।”
তিনি আরো বলেন, “আমরা কিন্তু কিন্তু কিছুই করি নাই। উনারাই গেছেন জজ কোর্টে, হাইকোর্টে; আপিল বিভাগে। পরে আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দিয়েছে ২ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। টাকা দিতে হবে ৩ মাসের মধ্যে। ৩ মাস শেষ হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। যদি না দেয় তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলেছে আপিল বিভাগ। এখন যদি তারা টাকা কম বা বেশি দেয় সে জন্য যেতে হবে আপিল বিভাগের কাছে। মাননীয় আপিল বিভাগ যদি কম-বেশি দেয় আমরা অবশ্যই মেনে নিবো। আমরা না মানার কারণ নেই।”
তবে এ ক্ষেত্রে একটি সমস্যা আছে উল্লেখ করে জহুরুল হক বলেন, “উনাদের ২ হাজার কোটি টাকার অনুপাত হিসেবে রবি-কে ১৩৮ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে। ওই অংকে ১৩৮ কোটি রবির ভাগে পরে। এটা কমাতে হলে রবি’রটাও তখন কমাতে হবে। এতে জটিলতা দেখা দেবে।”